ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল দেয়ার পর বেসিক কিছু কাজ করে নিন

আমাদের প্রো গ্রুপে বেসিক কাজ বেসিক কাজ নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। তাদের অনেকেই বিভিন্ন প্রশ্ন করেছেন তার আলোকে কিছু পয়েন্ট তুলে ধরা হলো। আশা করছি সকলের কাজে আসবে।

১। ইউজার নেইম কি দেবো?

যেহেতু আমাদের টার্গেট ইউএসএ তাই আমাদের ইউজারের নাম অবশ্যই ইউএসএ ব্যক্তিদের হবে। সেজন্য ফেক নেম জেনারেটর এই টুলস্ আপনাকে হেল্প করবে। অন্যদিকে ইউজার নেইমের ডিসক্রিপশনে এ অবশ্যই নিজের সম্পর্কে কিছু কথা লিখতে হবে। যেমন, কে আপনি, কি করেন, ইত্যাদি। এটার মানে হলো আপনি এই সাইট পরিচালনা করার জন্য দক্ষ সেটা প্রকাশ করতে হবে।
 
যেমন- আমি জোবায়ের রহমান। ২০১০ সাল থেকে প্রফেশনাল এসইও এক্সপার্ট হিসেবে কাজ করে আসছি। বর্তমানে জোবায়ের একাডেমি নামে একটি প্রতিষ্ঠানের দায়ীত্ব পালন করছি। জোবায়ের একাডেমিতে ফ্রি, প্রো এবং প্রিমিয়াম কোর্স সমূহ চালু রয়েছে।

২। এবাউট আস কেমন হবে?

এবাউট আস সাইটের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয়। বিষেশ করে এডসেন্সে এ আবেদন করার আগে অবশ্যই এটা সাইটে রাখা উচিৎ। এই সেকশনে মূলত আপনি আপনার সাইট ও সেবা সম্পর্কে লিখবেন। নিশ সাইটগুলোর কয়েকটির এবাউট আস ভালো করে পড়ুন তাহলে ধারনা পেয়ে যাবেন কি কি লিখতে হবে।

৩। কন্টাক পেজ কিভাবে দেবো?

কন্টাক পেজ আর একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়। অনেক সময় আপনার লেখা সম্পর্কে কারো কোন অভিযোগ থাকতে পারে। আপনার সেবা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে চাইতে পারে। এছাড়া পাঠকদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য কন্টাক পেজ খুবই গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করে থাকে। সাধারনত ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের জন্য কন্টাক ৭ এর মত প্লাগিং ইউজ করে একটা যোগাযোগের ফর্ম তৈরী করা হয়। সেখান থেকে ইউজার আপনাকে সরাসরি মেইল করতে পারে। আপনি চাইলে আপনার মনের মত করে বানিয়ে নিতে পারেন।

৪। প্রাইভেসি পলিসি:

যারা আমাদের কাছ থেকে ডোমেন হোষ্ট কিনেছেন এবং যেহেতু আমরা আপনাদের সম্পূর্ন সাইটটি ফ্রিতে কাষ্টমাইজ করে দিয়েছি তাই তাদের প্রত্যেকের সাইটের ভিতর ডিফল্ট একটা প্রাইভেসি পলিসি দিয়ে দিয়েছি। নিজের মত করে ইডিট করে নিন। খুবই সহজ একটা বিষয়। এই তথ্যগুলো প্রায় সকল সাইটের জন্য একই রকম। যতটা সম্ভভ ইউনিক রাখার চেষ্টা করুন। অন্যদিকে যারা বাইরে থেকে কিনেছেন তারা আপনার নিশ রিলেডেট সাইটগুলো থেকে কয়েকটি প্রাইভেসি পলিসি পড়ে নিন তাহলে বিষয়টা বুঝতে সুবিধা হবে।

৫। লোগো সাইজ

আগে সাইটের থিম ফাইনাল করেন, তারপরে সেই থিম দেখে জেনে নিন লোগো সাইজ কেমন হওয়া উচিৎ। আপনার লোগো সাইটের কালারের সাথে যাচ্ছে কিনা সেটাও বোঝার বিষয়। মনে রাখতে হবে, সাইট ডেকরেশন এবং কালার একজন ভিজিটরের মন জয় করতে বেশ সহায়তা করে। তাই লোগো হতে হবে মানানসই।

৬। ফেভ আইকন

ওয়ার্ডপ্রেস সােইটের এপিয়ারেন্স থেকে কাস্টমাইজ এ গেলে, সাইট আইডেনটিটি অপশনে ফেভআইকন দেয়ার জায়গা রয়েছে। সেখানে আপনার পছন্দ মত  ৫০০ গুন ৫০০ সাইজের ফেভআইকন ব্যবহার করতে পারেন। এই আইকন আপনার সাইটের পরিচয় বহন করবে।

৭। সোসাল ব্যানার

গুগলে সার্চ করেন ফেসবুকে পোষ্ট শেয়ার করলে থাম্বনেইল সাইট কত? সে সাইজ অনুসারে একটা ব্যনার করে ফেলুন। সম্ভভত এই সাইজ ১২০০ গুন ৬৩০। এটা সাইটের ইয়োষ্ট এ যুক্ত করে দিতে হবে। কোন কারনে যদি ফেসবুকে আপনার সাইটের ইউআরএল শেয়ার করা হয় তাহলে সেই ব্যানারটা শো করবে। ঠিক টু্ইরের জন্যও একই কাজ করতে হবে।

৮। ট্যাগ লাইন

কাষ্টমাইজ অপশনে ট্যাগ লাইন নামে একটা অপশন পাবেন। আপনার পছন্দ মতো সাইটের টাইটেলের পাশাপাশি একটি কিওয়ার্ড ট্যাগলাইনে এড করে দিতে পারেন। এতে আপনার সাইটের হোম পেজ সহজেই র‌্যাংক করতে পারে।
 
সব শেষে বলবো, সাইটে যতটুকু দরকার ততোটুকু নিয়ে কাজ করুন। যত কম ইলিমেন্ট রাখবেন ততো আপনার সাইট ফাস্ট থাকবে। তাই দরকারী বিষয়গুলো ছাড়া অপ্রসঙ্গীক কোন কিছু ব্যবহার না করাটাই ভালো। 

4 thoughts on “ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল দেয়ার পর বেসিক কিছু কাজ করে নিন”

  1. অনেক ধন্যবাদ সুন্দর ও নির্দেশনাধর্মী লেখার জন্য।

    Reply

Leave a Comment