Jobayer Academy

বাংলাদেশের প্রথম হাতে তৈরি সাবানের অনলাইন কোর্স প্ল্যাটফর্ম

সরাসরি ও অনলাইন কোর্স এর সুবিধা

স্কিল ডেভলপ করে নিজের জীবনকে পরিবর্তন করুন

2328

শিক্ষার্থী

4.9

★

রেটিং (৫-এ)

92%

সফলতার হার

Hero Image
  • Prothom Alo
  • Cholti
  • News24
  • Chaarcha
  • DeshDosh24
  • Nagorik TV

কেনো জোবায়ের একাডেমী?

ইন্টারেক্টিভ লার্নিং

এডভান্সড সিস্টেমে কোর্স ভিডিও, ট্র্যাকিং ও পরীক্ষা

পার্সোনাল মেন্টরশীপ

শেখার যেকোনো সমস্যায় জোবায়ের স্যারের সাথে ফোনে, মেসেজে বা সরাসরি অফিসে এসে ১ টু ১ সমাধানের সুযোগ

বিজনেস সাপোর্ট

নিজের ব্যবসা শুরুর ক্ষেত্রে, যন্ত্রপাতি, উপাদান সোর্সিং, বিজনেস গাইডলাইনসহ সকল ধরনের সাপোর্ট

কমিউনিটি সাপোর্ট

ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হয়ে সকল স্টুডেন্টদের সাথে যোগাযোগ ও আলোচনার সুযোগ

শিক্ষার্থীদের মতামত

ফিচার ভিডিও

সাফল্যের গল্প

আমাদের গ্যালারি

সাম্প্রতিক ব্লগ

ডিজিটাল স্ক্যামার নাকি অন্যকিছু?

ডিজিটাল স্ক্যামার নাকি অন্যকিছু?

গত ১৪টি বছর কোর্স অর্থাৎ তাবিজ বিক্রি করে জীবনে যা শিখেছি তা হলো একজন শিক্ষার্থী জোর করে হলেও শুনতে চায় এই কোর্সটি করলে আপনি রাতারাতি বড়লোক হয়ে যাবেন। কোর্স মানে হলো এমন একটা তাবিজ যা গলায় ঝুলালে কোটিপতি হতে আর কিছু লাগবে না। গায়েবি ভাবে সব হয়ে যাবে। আর যখন তাদের বলি এটা আমার কোর্স এ অন্তত সম্ভব নয় তখন কেন যেন শিক্ষার্থীরা আর আমাকে সহ্য করতে পারে না। তখন রিপ্লাই আসে, আপনি অহংকারী, আপনার দেমাগ বেশি ইত্যাদি।

বাঙ্গালী কেন যেন ইচ্ছা করে ফাঁদে পড়তে ভালোবাসে। আর যখন ফাঁদে পরে সব হারায় তখন সকল দোষ পরে তারিজ বিক্রেতার উপর। 

প্রত্যেক দুধ বিক্রেতা তার দুধকে খাঁটি বলবে সেটাই তো স্বাভাবিক আর বিক্রি করতে কিছু রসাল বাক্য জুড়ে দিতেই পারে, এটা অপরাধ নয়, এটা মার্কেটিং কৌশল। যুগ যুগ ধরে এটা চলে আসছে। বিশ্বাস হচ্ছে না? ফেয়ার এন্ড লাভলীর কথা মনে আছে? ৭ দিনেই ফর্সা করে দিতো, বাস্তবেকি তাই?

তরমুজ লাল না হলে আপনি কিনবেন না, ডাবের পানি মিষ্টি না হলে খাবেন না, বাধ্য হয়েই তো রং আর স্যাকারিন মিক্স করতে হয়। 

কাউকে যদি অপরাধী বলতে হয় তাহলে বলবো আপনি অপরাধী, কোন কোর্স কেনার আগে কেন তার বাস্তবতা বিবেচনা করেন না? কেউ একজন বললো কোর্স করলে কোটিপতি হয়ে যাবেন, আপনি লাফ দিয়ে পড়ার আগে কেন ভাবেন না যে সেটা সম্ভব কিনা? কোর্সটি ভালো না খারাপ তা বোঝার জন্য কেন কোর্স রিভিউ, শিক্ষার্থীর মতামত, কোর্স কনটেন্ট, কমেন্ট ইত্যাদি চেক করেন না?

আপনারা চেক করেন না সেটা বললেও ভুল হবে, যা চেক করেন, তা হলো কোর্স সেল করে কোর্স বিক্রিতার কত লাভ হলো? আপনি সোপ তৈরী শেখান তাহলে আপনার ফ্রাক্টরী কয়টা? তার মানে নিজের হিসেব করার থেকে আমরা অন্যের হিসেবে ব্যস্ত।

বাঙ্গালী যতদিন তাদের লোভ নিয়ন্ত্রন করতে পারবেনা ততোদিন তাদের মুক্তি মিলবে না।

কোন এক গুণিজন বলেছিলেন, মুর্খের দেশে ইউনিভার্সিটি কিসের? ঠিক তাই, এদেশের জন্য ইউনিভার্সিটি নয়।

আমরা কতটা মুর্খ চলেন একটা প্রমান দেই, কিছুদিন আগে আমার একটা নিউজ আসছিলো, সেখানে আমি বলেছিলাম পাঙ্গাস মাছের তেল দিয়েও সাবান তৈরী করা সম্ভব। আর সাংবাদিক লিখলো, পাঙ্গাস মাছের তেল দিয়ে সাবান তৈরী করে সফল হলেন জোবায়ের রহমন। নিউজটির ভিতরে আমি কোথাও কি এমন কথা বলেছিলাম? অথচ এক শ্রেনীর মানুষ সেই নিউজে কি পরিমান গালি দিলো, কেউ কেউ তো লিখেন ”গু দিয়ে সাবান বানান” কেউ আবার সেই কমেন্ট স্ক্রিন শর্ট নিয়ে নিজের পেজে প্রচার করেছে, কেউ কেউ আবার প্রসঙ্গটা নিয়ে বেশ রসালো বাক্য বিনিময় করেছেন। এই কাজটা করেছে কেবল মাত্র টাইটেল দেখে, ভিতরের নিউজটা একবার দেখারও প্রয়োজন মনে করেননি। 

বিবেক শূণ্য এই বাঙ্গালীর মুক্তি কি আদৌ কোন দিন মিলবে?
কেন হাতে তৈরী প্রাকৃতিক সাবানের প্রশিক্ষণ নেবেন?

কেন হাতে তৈরী প্রাকৃতিক সাবানের প্রশিক্ষণ নেবেন?

কেন হাতে তৈরী প্রাকৃতিক সাবানের প্রশিক্ষণ নেবেন? এমন প্রশ্নের উত্তর যদি সোজা সাপটা দিতে হয় তাহলে বলবো সোপ মেকিং একটি স্কিল তাই নিজের প্রয়োজনে স্কিল ডেভলপ করবেন। পৃথিবীর সবাই আপনাকে ছেড়ে গেলেও স্কিল আপনাকে ছেড়ে যাবে না।

একটা বিষয় হয়তো খেয়াল করেছেন, মানুষ ধিরে ধিরে অতীতে ফিরে যাচ্ছে। তারা এখন সুস্থ ভাবে বেশি দিন বাঁচতে চায়। কেউ কেউ তো এখন মাংশ ছেড়ে সবজি খাওয়ার অভ্যাস করছেন, কেউ ঔষধ বর্জন করে লতাপাতা দিয়ে নিচের চিকিৎসা করছেন। আমরা এখন মরিঙ্গা পতা খেতে জানি, চুলকারী হলে নিম পাতার ব্যবহার জানি, শ্যাম্পুর পরিবর্তে এখন আমলকি রিঠা শিকাকাই ব্যবহার করছি। এ যেন আদী যুকে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা।

কোল্ড প্রসেজ সোপ সেটাও একটি প্রাকৃতিক পণ্য, আজ না হয় কাল মানুষ বাজারের সাবান ব্যবহার ছেড়ে দেবেন। কান মানুষ কেমিক্যালও বর্জন করতে চাচ্ছে। তাই আপনি যদি সোপ মেকিং প্রশিক্ষণ  নিয়ে সোপ তৈরী করতে পারেন তাহলে অন্তত নিজের সোপটি নিজেই তৈরী করে নিতে পারবেন। আপনি তখন নিশ্চিৎ থাকবেন যে, আপনার পণ্যটি হালাল ও ন্যাচারাল।

কেন হাতে তৈরী প্রাকৃতিক সাবানের প্রশিক্ষণ নেবেন?


বাংলাদেশে হাতে তৈরি প্রাকৃতিক সাবানের প্রশিক্ষণ নেওয়ার পেছনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে। নিচে কিছু প্রধান কারণ তুলে ধরা হলো:

✅ হতাশা দূর করার মাধ্যম


দিন দিন মানুষের ভিতরে হতাশা বেড়ে যাচ্ছে। এর একমাত্র কারন টেকনোলজির অধিক ব্যবহার বিশেষ করে ফেসবুক। আর এই হতাশা দূর করার মহা ঔষধ হচ্ছে সোপ আর্ট। নিয়মিত সোপ মেকিং প্রাকটিস করুন আর থাকুন ফুরফুরে মেজাজে।

✅ প্রাকৃতিক এবং নিরাপদ


বাংলাদেশে এখনো অনেক বাণিজ্যিক সাবানে কেমিক্যাল ও সিনথেটিক উপাদান ব্যবহৃত হয়, যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। হাতে তৈরি প্রাকৃতিক সাবান সুলভ এবং নিরাপদ, যা ত্বককে কোমল ও পুষ্টিকর উপাদান দিয়ে পরিচর্যা করে।

✅ ব্যবসায়িক সম্ভাবনা


প্রাকৃতিক সাবানের চাহিদা দেশে ও বিদেশে দিন দিন বাড়ছে। এই প্রশিক্ষণ নিয়ে আপনি নিজের ব্র্যান্ড তৈরি করে স্থানীয় বাজার কিংবা অনলাইনে (Facebook, Instagram, ই-কমার্স) বিক্রি করতে পারেন। ছোট পরিসর থেকে শুরু করে বড় ব্যবসায় রূপান্তর সম্ভব।

✅ ঘরে বসে আয় করার সুযোগ


হাতে তৈরি সাবান তৈরির প্রক্রিয়াটি সহজে ঘরে বসে করা যায়। যারা গৃহিণী, শিক্ষার্থী কিংবা চাকরির পাশাপাশি কিছু বাড়তি ইনকাম করতে চান, তাদের জন্য এটি উপযুক্ত স্কিল।

✅ ত্বকের উপযোগী সাবান তৈরির কৌশল শেখা


এই প্রশিক্ষণে আপনি ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা (যেমন: ব্রণ, শুষ্কতা, এলার্জি, একজিমা ইত্যাদি) অনুযায়ী সাবানের উপাদান বাছাই ও তৈরি শেখেন। ফলে আপনি নিজের বা অন্যের ত্বকের উপযোগী সাবান তৈরি করতে পারবেন।

✅ সৃজনশীলতা প্রকাশের সুযোগ


সাবান ডিজাইন, রঙ, ঘ্রাণ এবং প্যাকেজিং—সবকিছুতেই সৃজনশীলতা প্রকাশ করা যায়। ফলে এটি শুধু একটি স্কিল না, বরং একটি শিল্পও বটে।

✅ প্রাকৃতিক উপাদানের জ্ঞান


প্রশিক্ষণে বিভিন্ন হার্বস, বোটানিক্যালস, এসেনশিয়াল অয়েল ইত্যাদির ব্যবহার শেখানো হয়। এতে আপনি প্রাকৃতিক উপাদান সম্পর্কে ভালো জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন, যা স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্যচর্চার জন্য উপকারী।

✅ স্বনির্ভরতা ও আত্মবিশ্বাস


নিজের হাতে তৈরি পণ্য ব্যবহার ও বিক্রি করতে পারার অনুভূতি আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং আপনাকে স্বনির্ভর করে তোলে।

কেন জোবায়ের একাডেমি - পিছনের গল্প

কেন জোবায়ের একাডেমি - পিছনের গল্প

আমি কেমিক্যাল জগতের মানুষ, কেমিক্যাল নিয়ে কাজ করতে আমার সব সময়ই ভালো লাগে। পড়াশুনা কিংবা চাকরী, সবকিছুই ছিলো আমার কেমিক্যার নিয়ে। অনলাইনে রিবানা নামক একটা কম্পানির হ্যান্ডমেড সোপ দেখি, বেশি ভালো লাগতো সেই সোপগুলো। মাঝে মাঝে ভাবতাম, হাতে তৈরী সাবান মানুষ কি  কেনে? খুব একটা পাত্তা দিলাম না। 

তখন আমার শাড়ি, থ্রি পিস এর ব্যবসা। খুব একটা ভালো যাচ্ছিলো না। একবার আমার একটা ভিডিও ভাইরাল হয়। যে কয়টা থ্রি পিচ কিনে এনেছিলাম সবগুলা সেল হয়ে গেলো। তারপর সাপ্লাইয়ারের কাছে গেলাম আরো থ্রি পিচ আনতে। সাপ্লাইয়ার বললো, স্টোক আউট, দুই সপ্তাহ পরে দিতে পারবে। কাষ্টমার কি ততো দিন দিন আমার জন্য অপেক্ষা করবে?

এমন ঘটনা আমার সাথে কয়েকবার ঘটে, পণ্য সেল হয় কিন্তু সাপ্লাই নাই। বেশি চিন্তায় পড়ে গেলাম, তখন ভাবলাম এমন কোন পণ্য নিয়ে কাজ করতে হবে যা চাইলে আমি কাষ্টমারকে দিতে পারবো।

সম্ভবত, ২০২০ এর দিকের ঘটনা, সোপষ্টার নাম একটা কম্পানির নিউজ চোখে পড়ে, তারাও হ্যান্ডমেড সোপ নিয়ে কাজ করে, খুব সুন্দর সেটআপ তাদের। বিষয়টা আমার বেশি নজরে আসে। ঠিক তার কিছুদিন পরে প্রথম আলোর আর একটা নিউজ চোখে পড়ে, সেখানে রিবানা আর সোপষ্টারকে নিয়ে আলোচনা ছিলো। সেই থেকেই টুকটাক সোপ তৈরী করার চেষ্টা শুরু করি। প্রথমদিকে মোটামুটি কোয়ালিটি আসতো। নিজে ব্যবহার করতাম। টুকটাক সেল করতাম।

প্রশিক্ষন নেয়ার জন্য বিভিন্নভাবে খুঁজে বেড়ালাম। বাংলাদেশে কোন সোপ এক্সপার্ট খুঁজে পেলাম না। দুই একজন যা পেলাম তাদের সবাই ইউটিউব এক্সপার্ট মনে হলো। ইন্ডিয়াতে পেলাম তবে সেটা ২-৩ লক্ষ টাকার মত খরচ হবে। পরবর্তীতে ইউটিউব গুগল দেখে আর নিজের অভিজ্ঞতা থেকে নিজেই তৈরী করলাম কোল্ড প্রসেজ সোপ। প্রথম দিকে সোপ না হলেও পরবর্তিতে বেশ ভালো সোপ তৈরী করি। আনন্দে আত্নহারা হয়ে অনেক বড় প্রডাকশন শুরু করলাম। ১০-১৫ দিন সকাল বিকাল আমার তৈরী সোপ গুলো দেখি আর মুগ্ধ হই। 

একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার লক্ষ লক্ষ টাকার প্রডাক্টশন ধিরে ধিরে গলতে শুরু করে। এক পর্যায়ে পুরোপুরি গলে যায়। আমি মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়ি। তখন মনে মনে ভাবি, ইউটিউব গুগল দেখে হয়তো ঠিকই সোপ তৈরী করা যায়, আসলে সেটা মানুষের ত্বকের উপযুক্ত কিনা সেটা বোঝার জন্য দরকার হবে সঠিক নলেজ। সেই থেকে আবার পড়াশুনা শুরু করি। নতুন নতুন রেসিপি ডেভলপ করি, নিজে ইউজ করি, সোস্যাল মিডিয়াতে পোষ্ট করি। ধিরে ধিরে বিদেশি সোপ আর্টিষ্টদের সাথে পরিচয় হয়। আমার কাজের গতি আর এক্সপেরিমেন্ট দেখে বিশ্বের নামি দামি কিছু কম্পানীর মালিকগণ আমার সাথে যোগাযোগ করেন। ধীরে ধীরে সম্পর্ক বন্ধুত্বে রূপ নেয়। তাদের মধ্যে একজন রেবেকা ফিস, যাকে কোন দিন ভোলার নয়। ৩টা বছর তিনি আমাকে গাইড করেছেন। বাংলাদেশের আবহাওয়া, স্কিন নিয়ে তিনি ধারণা দিতেন, তেল ও উপাদান নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করতাম। 

uploaded image


২০২২ বা ২০২৩ এর দিকে হবে ইকেবানা নামক একটা প্রতিষ্ঠিানের নিউজ ভাইরাল হয়। নিউজটা আমার এতোটাই ভালো লাগে তখন আমি ইকেবানার আনিস ভাইকে কল করলাম। খুব একটা পাত্তা পেলাম না। সেলিব্রেটিরা যা করে আরকি। তখন বেশ জেদ কাজ করে। 

যখন আমি মানুষকে বলতাম এটি হ্যান্ডমেড সোপ, তখন বেশিরভাগ মানুষই জানতো না, আসলে হ্যান্ডমেড সোপটা কি? এতোটা বোঝানোর চেষ্টা করতাম কিন্তু কাজ হতো না। আমি একজন ডিজিটাল মার্কেটার, তাই মাথায় আসলো এই পণ্য সেল করতে হলে সবার প্রথমে হ্যান্ডমেড সোপটা আসলে কি সেটা বাংলাদেশের মানুষকে চেনাতে বা বোঝাতে হবে। ক্যালকূলেট করে দেখলাম, এটা যদি আমি প্রচার করতে যাই তাহলে হিউজ ইনভেষ্টমেন্ট দরকার হবে। তখন অতটা টাকা পয়সা আমার ছিলো না। কি করবো ভেবে পাচ্ছিলাম না। এরই মধ্যে সোপ বিষয়ে বেশ নলেজ হয়ে গেলো, তাই তৈরী হলো জোবায়ের একাডেমি। আর আজ সবাই জানেন, বর্তমানে জোবায়ের একাডেমি কতটা পরিচিত।

জোবায়ের একাডেমি কেন প্রতিষ্ঠিতি হলেছিলো?


কোল্ড প্রসেজ সোপ সেল করতে গিয়ে দেখি মানুষ এটি কিনতে চায় না, আসলে তেমন কেউ এটা চেনে না। তাই ভাবলাম এটার প্রচার করি। পরে দেখি প্রচার করতে গেলে বেশ খরচ হয়ে যায়। লক্ষ লক্ষ টাকার বিষয়। তাই ভাবলাম যদি একটা ট্রেইনিং সেন্টার করি তাহলে কিছু স্টুডেন্ট তৈরী হবে, আর তখন সেই ষ্টুডেন্টদের মাধ্যমেও প্রচার হবে। আমি একটা যদি ১ লক্ষ টাকার প্রচার করি তাহলে ১০০ জন ষ্টুডেন্ট সবাই মিলে ১ কোটি টাকার প্রচার করবে। এক কথায় বলা যায়, নিজের তেমন একটা খরচ হলো না। যেই চিন্তা সেই কাজ। শুরু হলো জোবায়ের একাডেমি।
uploaded image
আল্লাহ হাফেজ
কে এই জোবায়ের রহমান?

কে এই জোবায়ের রহমান?

কেউ আমার সম্পর্কে কিছু জানতে চাইলে আমি সাধারনত বলি “আমার পরিচয় দেয়ার মত বিশেষ কিছু নাই, জানতে পছন্দ করি, জানাতে পছন্দ করি”। তবে নির্দিষ্ট ভাবে যদি কিছু বলি তাহলে বলবো পাবলিক প্লেসে কথা বলতে বা ট্রেইনিং করাতে পছন্দ করি। মিনিমাম একটা শিক্ষাগত যোগ্যতা আছে যাতে মানুষ গ্রহন করে। আমি সাধারনত একটানা ৫-৬ ঘন্টা লেকচার দিতে পারি, কোন বিরতির দরকার হয় না, এমনকি যারা আমার লেকচার শোনে তারাও লেকচার রেখে কোথাও যায় না কিংবা ঘুমিয়ে পড়ে না। কখনো কখনো দেখেছি কেউ কেউ লেকচার শেষ হয়ে গেলেও ক্লাস থেকে যায় না। তাই কেন যেন মনে হয় শিক্ষার্থীরা হয়তো আমার কথা পছন্দ করে। চলুন আমার সম্পর্কে কিছু তথ্য শেয়ার করি।

uploaded image

কে এই জোবায়ের রহমান

আমি জোবায়ের রহমান, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করেছি। আমার মেজর বিষয় ছিলো ওয়েট প্রসেসিং, যা ডাইস ও ক্যামিকেলের সাথে সম্পর্কিত। ১২ বছরের অধিক সময় ধরে মাল্টিন্যাশনাল ল্যাবরেটরীতে (Intertek) জব করেছি। Kmart Australia তে দীর্ঘদিন প্রডাক্ট সেফটি নিয়ে কাজ করেছি। তাছাড়াও বাংলাদেশের স্বনামধন্য কিছু প্রতিষ্ঠানে এনভায়রনমেন্ট ও ক্যামিকেল রেসপনসিবল হিসেবে দায়ীত্ব পালন করেছি। ক্যামিকেল রিঅ্যাকশন ভালো লাগে, নতুন কিছু করাটা আমার নেশা। শিখতে ও মন খুলে শেখাতে পছন্দ করি। 
২০২৫ সালের ১০ই নভেম্বর মাল্টিন্যাশনাল কম্পানির চাকরি ছেড়ে দিয়ে সোপ আর্ট এন্ড অন্ট্রাপেনার বিজনেস কনসালটেন্ট হিসেব ফুল টাইম কাজ শুরু করি। 
বর্তমানে আমি হ্যান্ডমেড সোপ মেকিং , বিজনেস ক্রিয়েশন  ও মার্কেটিং সহ নানান অনলািইন ও অফলাইন কোর্স পরিচালনা করে থাকি।  এছাড়াও বিভিন্ন অনলাইন বিজনেস কনসালটেন্সি করে থাকি। 

uploaded image

কিছু যোগ্যতা

আমি এমন একজন মানুষ জীবনে খুব বেশি কিছু আমার হাত থেকে মিস যায়নি। যেমন-
  • আমি রান্না বান্না পারি, বাংলা, চাইনিজ, বেকারী, ফাস্টফুড ইত্যাদি। খেতে খুব পছন্দ করি, জীবনের অনেকটা সময় একা কাটিয়েছি তাই নিজের প্রয়োজনে শিখতে হয়েছিলো।
  • জীবনে গান-বাজনা, মডেলিং. মঞ্চ নাটক করেছি।
  • কবিতা উপন্যাস লিখেছি অনেক, বাজারে কিছু কবিতার বইও খুজলে পাওয়া যাবে।
  • ২০০২ সাল থেকে ওয়েব ডিজাইন ও ডেভলপমেন্টে করেছি।
  • ২০০৭ থেকে ব্লগিং করেছি।
  • ২০১১ সাল থেকে ইউটিউবিং করেছি।
  • আমি একজন এসইও এক্সপার্ট ও ডিজিটাল মার্কেটার।
  • ফটোশট, ভিডিও এডিটিং, অডিও এডিটিং জীবনের প্রয়োজনে যখন যা দরকার ছিলো সবই শিখে নিয়েছি।

uploaded image

খারাপ গুণ

আমি সাধারনত কোন কিছু ফ্রি তে দেই না। বলতে পারেন মুখ খুলতেও টাকা নিয়ে থাকি। এর পিছনে বড় একটা কারন রয়েছে। আমি মনে করি টাইম = মানি (টাকা)। তাই কেউ যদি কাউকে টাইম দেয় তাহলে অবশ্যই তাকে টাকা দিতে হবে অথবা সমমানের কিছু একটা দিতে হবে যা তার দরকার। তাছাড়া ২০১১ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত মেন্টরিং করে যতটুকু অভিজ্ঞতা হয়েছে তাতে যা বুঝি তা হলো “ফ্রি তে কোন কিছু শেখা হয় না, যে কিছু শেখাতে চায় সেও আগ্রহ পায় না আবার যে শিখবে সে ফ্রি তে পাওয়া কোন কিছু মূল্যায়ন করে না” মাঝখান থেকে সময়টা অপচয় হয়। তবে বাঙ্গালীর মধ্যে ফ্রি বিষয়টা এমন ভাবে বাসা বেধেছে যা থেকে বের হওয়া কঠিন।  এক সময় ফ্রি টিউটোরিয়াল, ফ্রি ক্লাস বহু কিছু করিয়েছে, সেখানে কিছু বাহবা ছাড়া আর কিছু পাইনি এমনকি সফলতাও দেখিনি। তাই তারপর থেকে আর ফ্রিতে কিছু দেই না, মাঝে মাঝে কিছু উপদেশ ছাড়া। তারমানে কিছু আমি টাকার পাগল নই, আমি সময়কে মূল্যায় করার চেষ্টা করি। প্রয়োজনে আপনাকে বড় কোন কিছু গিফট করে দেয়া যেতে পারে যা আপনার দেয়া টাকার থেকেও বেশি হতে পারে কিন্তু যেখানে ব্যবসা জড়িত সেখানে ফ্রি দেয়ার প্রশ্নই আসে না। 

আমি নিজেকে ছাড়া আর কাউকে নিয়ে ভাবি না, কারন আমি মনে করি আমিই আমার পৃথিবীতে আপনজন।
আমার হারানোর কোন ভয় নাই, কারন সব কিছু আমি নিজে উপার্জন করেছি।

uploaded image

আমার কিছু উক্তি

  • অ্যাকশন টেকাররা সফল হয় আর বাকিরা ঝড়ে পড়ে।
  • আজই শুরু করুন, সময় আপনাকে বলে দেবে কখন কি করতে হবে।
  • বোকা মানুষদের সফলতার হার বেশি কারন বোকারা একজনকে অন্ধ ভাবে গুরু মনে করেন। আর অতি চালাক মানুষগুলো সকল জায়গায় “কিন্তু” খুঁজে বের করেন।
  • সময়ের সাথে সাথে সকল সমস্যার সমাধান করে, কোন পণ্য বিক্রি করে লাভবান হওয়ার চেষ্টা করার নামই ব্যবসা।
  • জীবনের সকল জায়গায় সফলতা ও ব্যর্থতা নামক দুটি শব্দ থাকলেও, ব্যবসায় ব্যর্থতা বলতে কিছু নেই। ব্যর্থতা ব্যবসা শেখার একটি মাধ্যম মাত্র।
  • মুখ থাকলেই স্রষ্টার (উদ্ভাবক) সমালোচনা করাই যায় কিন্তু সৃষ্টিকর্তা হওয়া যায় না। তিনি একজন ও অদ্বিতীয়।
  • নিজেকে গড়তে জেদ করুন, অন্যকে ধ্বংস করার জন্য নয়। তাতে সময় নষ্ট হবে আর নিজের বড় ক্ষতি হবে টেরও পাবেন না।
  • আমার সব শেখা হয়ে গেছে, আমার আর কিছু শেখার নেই এমন চিন্তা মাথা এলে বুঝে নেবেন আপনার মস্তিষ্কের বিকৃতি ঘটেছে।
  • নিজেকে নিয়ে ভাবুন, পৃথিবীতে আপনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি আপনার ভালো চান।
  • পৃথিবীর সবাই স্বার্থপর, সংসারে আপনার উপার্জন বেশি হলে আপনার মা-ও মাছের মাথাটা আপনার প্লেটে দেবে, আপনাকে নিয়ে ভাববে আপনি কি খেতে পছন্দ করেন।
সাবানের সাধারন পিএইচ মান কত? (Normal pH of Soap) – আপনার স্কিনের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

সাবানের সাধারন পিএইচ মান কত? (Normal pH of Soap) – আপনার স্কিনের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

আপনি কি কখনো ভেবেছেন, আপনি যে সাবানটি প্রতিদিন ব্যবহার করছেন, তার soap pH level আসলে কত? বা এই pH আপনার skin-এর উপর কী প্রভাব ফেলে? অনেকেই মনে করেন “ভালো সাবান মানেই ফেনা বেশি” — কিন্তু বাস্তবে normal pH of soap জানা থাকলে আপনি অনেক বেশি skin friendly soap বেছে নিতে পারবেন।


এই ব্লগে আমরা সহজ ভাষায় আলোচনা করবো সাবানের pH কী, সাধারণ pH মান কত, কেন সাবান alkaline হয়, এবং বাংলাদেশি আবহাওয়ায় কোন pH সাবান সবচেয়ে ভালো।


সাবানের pH কী? (What is pH in Soap?)


pH হলো একটি scale, যার মাধ্যমে কোনো substance কতটা acidic বা alkaline তা বোঝা যায়। pH scale সাধারণত 0 থেকে 14 পর্যন্ত হয়।


  1. pH 7 = Neutral
  2. pH 7-এর নিচে = Acidic
  3. pH 7-এর উপরে = Alkaline


Soap মূলত oils ও alkali (যেমন sodium hydroxide বা potassium hydroxide) দিয়ে তৈরি হয়। তাই সাবান সাধারণত alkaline soap হয়ে থাকে।


সাবানের সাধারন pH মান কত? (Normal pH of Soap Explained)


সাধারণভাবে বলতে গেলে:


  1. Normal pH of soap: প্রায় 9 – 10.5
  2. Commercial bar soap: 9 – 11
  3. Handmade soap pH: সাধারণত 8.5 – 10


এখানে মনে রাখা জরুরি, “সাবান” এবং “face wash” এক জিনিস না। Face wash বা cleanser অনেক সময় low pH হয়, কিন্তু traditional soap সবসময় alkaline।


কেন সাবানের pH সাধারণত Alkaline হয়?


এর পেছনে খুব simple science আছে


  1. সাবান তৈরি হয় oil + lye (alkali) দিয়ে
  2. এই chemical reaction-কে বলে saponification
  3. Saponification সম্পূর্ণ হলে সাবান naturally alkaline হয়


যদি সাবান acidic হয়, তাহলে সেটাকে technically আর “soap” বলা যায় না।


Skin-এর জন্য Ideal pH কত?


Human skin-এর natural pH সাধারণত:


  1. Ideal pH for skin: প্রায় 4.5 – 5.5


এই pH range-কে বলা হয় acid mantle, যা skin কে protect করে:


  1. Bacteria থেকে
  2. Moisture loss থেকে
  3. Irritation থেকে


এখানেই soap pH আর skin pH এর মধ্যে difference তৈরি হয়।


High pH Soap কি Skin Damage করে?


Short answer: হ্যাঁ, করতে পারে — যদি ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়। High pH soap ব্যবহারে যা হতে পারে:


  1. Skin শুষ্ক (dry) হয়ে যাওয়া
  2. Tight feeling
  3. Sensitive skin এ irritation


কিন্তু এর মানে এই না যে সব alkaline soap খারাপ।


Properly cured handmade soap, যেখানে extra glycerin থাকে, অনেক সময় skin-এর জন্য gentler হয়।


Handmade Soap এবং Commercial Soap এর pH পার্থক্য


Commercial Soap:


  1. pH সাধারণত বেশি (10–11)
  2. Glycerin অনেক সময় remove করা হয়
  3. Synthetic detergent থাকতে পারে


Handmade Soap:


  1. Handmade soap pH: সাধারণত 8.5–10
  2. Natural glycerin retain থাকে
  3. Superfatting থাকার কারণে skin feel ভালো হয়


এ কারণেই অনেক মানুষ handmade soap কে বেশি skin friendly soap বলে মনে করেন।


Cold Process Soap pH কত হওয়া উচিত?


Cold process soap pH সাধারণত:


  1. Cure করার পর: 8.5 – 10
  2. 4–6 সপ্তাহ curing না হলে pH বেশি থাকতে পারে


Beginner soap makers দের জন্য tip: Proper curing না করলে soap harsh লাগতে পারে, যদিও recipe ঠিক থাকে।


Baby Soap ও Sensitive Skin Soap এর pH


Baby skin এবং sensitive skin অনেক delicate।


  1. Baby soap pH: সাধারণত 7 – 8.5
  2. Syndet বা baby cleanser: 5.5 – 6


অনেক baby “soap” আসলে real soap না, বরং synthetic detergent bar, যাতে low pH রাখা সম্ভব।


কিভাবে Soap pH Test করা যায়? (pH Strip / Meter)


আপনি চাইলে ঘরে বসেই soap pH test করতে পারেন:


Method 1: pH Strip


  1. Soap এর 1% solution তৈরি করুন
  2. pH strip ডুবান
  3. Color chart এর সাথে মিলান


Method 2: Digital pH Meter


  1. বেশি accurate
  2. Handmade soap makers দের জন্য ভালো option


Direct soap bar এ meter লাগানো ঠিক না, solution বানিয়ে test করা best।


Low pH Soap কি সম্ভব? Myth vs Reality


Myth: Low pH soap মানেই ভালো


Reality:


  1. True soap কখনো pH 7 এর নিচে হতে পারে না
  2. Low pH products আসলে cleansers / syndet bars


So, label দেখে “low pH soap” লেখা থাকলে বুঝতে হবে সেটা traditional soap না।


Bangladesh-এর আবহাওয়ায় কোন pH Soap ভালো?


বাংলাদেশের weather সাধারণত:


  1. Humid
  2. Hot
  3. Dusty


এই কারণে ভালো হয়:


  1. Mild alkaline soap (pH 8.5–9.5)
  2. Extra oil / superfat থাকা handmade soap
  3. Over-cleansing না করে এমন soap


Dry skin হলে high pH soap প্রতিদিন ব্যবহার না করাই ভালো।


FAQ – Frequently Asked Questions


Q1: Normal pH of soap কত হওয়া safe?

সাধারণভাবে 8.5–10 safe ধরা হয়।


Q2: Handmade soap কি face এ ব্যবহার করা যায়?

Dry বা normal skin হলে mild handmade soap ব্যবহার করা যায়।


Q3: High pH soap কি acne বাড়ায়?

Directly না, কিন্তু skin barrier damage হলে সমস্যা বাড়তে পারে।


Q4: Baby soap কি alkaline হয়?

কিছু baby soap alkaline, তবে অনেক baby cleanser low pH হয়।


Conclusion

সব সাবান এক রকম না, আর সব skin ও এক রকম না। Normal pH of soap বোঝা মানে হলো নিজের skin-এর জন্য সঠিক decision নেওয়া। High pH মানেই খারাপ না, আবার low pH মানেই সব সময় ভালো — এই ধারণা ভুল। আপনি যদি handmade soap user, skincare-conscious consumer, বা beginner soap maker হন, তাহলে soap pH level জানা আপনার জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।

Jobayer Academy